HAJJ AND Criteria of Quran
☞☀Criteria of Quran Majid☀☜
.
✍১. ‘আল্লাহর কোন শরিক নাই (৬:১৬৩; ১৭:১১১); সূরা-৬, আন‘আম, আয়াত-১৬৩।
২. ‘বিধান দিবার অধিকার কেবল আল্লাহরই (১২:৪০); সূরা-১২, ইউসূফ, আয়াত-৪০।
৩. ‘আল্লাহর বিধানের বিরুদ্ধে আমি (রাসূল) তোমাদের জন্য কিছু করতে পারি না। বিধান আল্লাহরই (১২:৬৭); সূরা-১২, ইউসূফ, আয়াত-৬৭।
৪. বল, ‘নিজ হতে এ (কুরআন) বদলান আমার কাজ নয়। আমার প্রতি যা ওহী হয়, আমি কেবল তারই অনুসরণ করি (১০:১৫); সূরা-১০, ইউনুস, আয়াত-১৫।
৫. বল, ‘আমি কোন নূতন রাসূল নই। আমি জানি না, আমার ও তোমাদের কি করা হবে; আমি আমার প্রতি যা ওহী করা হয় কেবল তারই অনুসরণ করি (৪৬:৯); সূরা-৪৬, আহকাফ, আয়াত-৯।
৬. তুমি যদি দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের কথামত চল তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ হতে বিচ্যুত করবে। তারা তো শুধু অনুমানের অনুসরণ করে; আর তারা শুধু অনুমান ভিত্তিক কথা বলে (৬:১১৬); সূরা-৬, আন‘আম, আয়াত-১১৬।
.
♻☞রাসূল ওহীর অনুসরণ করেছেন। এখন যারা ওহীর অনুসরণ করবেন তারাই রাসূলের অনুসারি নয় কি?
☀☀☀☀☀☀☀☀☀☀☀
.
1)-✨ ‘রমযান মাসের ‘উমরা হজ্জের সমান’
.
⛽রমযান মাসে উমরা করা অনেক বড় সওয়াবের কাজ। যার শারীরিক, আর্থিক, পারিবারিকভাবে সামর্থ আছে তার জন্য ওমরা করা উত্তম। এ বিষয়ে হাদীসে অনেক ফযীলতের কথা বর্ণিত হয়েছে। যেমন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- ‘যখন রমযান আগমন করে ওমরা কর, কারণ তখনকার ওমরা হজের সমান’। (বুখারি: ১৬৯০,মুসলিম: ১২৫৬)
অপর এক হাদীসে আছে, ইব্ন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজ থেকে এসে উম্মে সিনান আনসারিকে বলেন -তুমি কেন হজ করনি? সে বলল- অমুকের পিতা, অর্থাৎ তার স্বামীর কারণে। তার চাষাবাদের দু’টি উট ছিল, একটি দ্বারা সে হজ করেছে, অপরটি আমাদের জমি চাষ করেছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “নিশ্চয় রমযানের ওমরা আমার সাথে হজের সমান”।( বুখারি: ১৭৬৪, মুসলিম: ১২৫৬)
.
✍[মুসলিমের ‘রমযান মাসের ‘উমরা হজ্জের সমান’ হলে জিলহজ্জ মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে হজ্জের প্রয়োজন আছে কী?]
✨✨✨✨✨✨✨✨✨
2)- ♿জিব্রীল রাসূলকে তাল্বিয়া পড়তে বললেন ♿
.
✍জিব্রীল রাসূলকে বলেন, তিনি যেন তাঁর আস্হাবকে তাল্বিয়া উচ্চঃস্বরে পড়তে বলেন (মালেক, তিরমিযি, আবূ দাঊদ, নাসাঈ, ইবনু মাযাহ ও দারেমী);-মেশকাত-৫/২৪৩৪। রাসূল জুল্হুলাফায় দুই রাকাত সালাত পড়লেন এবং বললেন, ‘লাব্বাইকা আল্লাহুমা লাব্বাইকা; লাব্বাইকা-ওয়া-স্বাদাকাইকা; ওয়াল্খায়রু ফি য়াদাইকা লাব্বাইকা; ওর্য়া রাগ্ বাউ- ইলাইকা, ওয়াল আমালু (বুখারি-মুসলিম);-মেশকাত-৫/২৪৩৬।
.
⛽ [জিব্রীল রাসূলকে তাল্বিয়া পড়তে বললেন তা কুরআনে নেই কেন?]
.
✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿
.
3)- ☎‘হাজরে আসওয়াদ’ ও ‘হাজরে আসওয়াদকে চুমা’ আর বায়তুল্লাহ্’ শব্দ☎
.
✋‘রাসূল হাজরে আসওয়াদকে চুমা দিলেন, অতঃপর বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করলেন (আবূ দাঊদ);-মেশকাত-৫/২৪৬০; ২৪৭১। ‘বায়তুল্লাহর চারদিকে সাত পাক ঘুরবে (তিরমিযি);-মেশকাত-৫/২৪৬৫, ২৪৭৫। ‘রাসূল যখন মক্কায় পৌঁছিলেন, হাজরে আসওয়াদকে চুমা দিলেন। তিনি বায়তুল্লাহর তাওয়াফে তিনবার জোরে চললেন আর চারবার স্বাভাবিক হাঁটলেন। মাকামে ইবরাহীমে দুই রাকাত সালাত পড়লেন। সাফা-মারওয়ায় সাতবার সাঈ করলেন আর কুরবানীর তারিখে কুরবানী করলেন (বুখারি-মুসলিম);-মেশকাত-৫/২৪৪২, ২৪৪০, ২৪৪৯, ২৪৫০, ২৪৫১।
.
✈✈ [‘হাজরে আসওয়াদ’ ও ‘হাজরে আসওয়াদকে চুমা’ দেওয়ার কথা আল্লাহর কিতাব কুরআনে আছে কী? ‘বায়তুল্লাহ্’ শব্দ ..............আল্লাহর কিতাবে আছে কী?]
.
4)- ❤একমাত্র আল্লাহর কিতাবের অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিশ্বের মুসলিমগণ কুরআনের সাথে হাদিসের অনুসরণ করেন কেন?
.
✍বিদায় হজ্জের পূর্ণ বিবরণ : রাসূল হজ্জের ঘোষণা দিলেন। .... সালাত পড়লেন। .... তালবিয়া (লাব্বাইকাল্লাহুম্মা ....) বললেন। বায়তুল্লাহর হেরেমে পৌঁছে ‘হাজরে আস্ওয়াদ’ হাতে স্পর্শ করে চুমা দিলেন। অতঃপর সাতপাক বায়তুল্লাহ্ প্রদক্ষিণ করলেন। ‘এবং মাকাকে ইব্রাহীমকে সালাতের স্থানে পরিণত কর’ এ আয়াত পাঠ করলেন। এখানে ‘কুল্হুয়াল্লাহু আহাদ’ ও কুল্ইয়া আয়্যুহাল কাফিরূন’ দ্বারা দুই রাকাত সালাত পড়েন। ‘হাজরে আস্ওয়াদ’ এ চুমা দিলেন। সাফা পর্বতের নিকটে পাঠ করলেন, ‘নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম।’ সাফা পর্বতের ওপর উঠে তাওহীদের ঘোষণা দিলেন। .... এরপর মারওয়ায় পৌঁছিলেন। পরের দিন মিনায় জোহর, আসর, মাগরিব, ইশা ও ফজরের সালাত পড়লেন। সূর্য ঢলার সময় আরাফায় পৌঁছে ভাষণ দিলেন : ১. ‘তোমাদের একের জান ও মাল তোমাদের অপরের প্রতি হারাম .... .... ২. ‘তোমরা নারীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করবে। .... .... ‘তোমরা ন্যায় সংগতভাবে তাদের অন্ন ও বস্ত্রের ব্যবস্থা করবে। ৩. আমি তোমাদের মধ্যে এমন এক জিনিস রেখে যাচ্ছি যদি তোমরা তা ধরে থাকো, তবে আমার পর কখনো বিপথগামী হবে না- তা হচ্ছে আল্লাহর কিতাব। মানুষের কাছ থেকে ‘আল্লাহর বাণী পৌঁছানোর অঙ্গীকার নিলেন। .... .... .... বিলালের আযানের পর জোহর ও আসরের সালাত পড়লেন। সূর্যাস্তের পর মুজদালিফায় পৌঁছে মাগরিব ও ইশার সালাত পড়েন। সারা রাত শুয়েছিলেন। ফজরের সালাত পড়ে সূর্যাস্তের পর পৌঁছলেন বড় জমারার নিকট। সাতটি কাঁকর মারলেন বড় জামরায় এবং প্রত্যেকবার আল্লাহু আকবার বললেন। এরপর কোরবান গাহের নিকট গিয়ে নিজ হাতে তেষট্টিটি উট কোরবানী করলেন। প্রত্যেক পশু হতে কিছু অংশ নিয়ে একটি ডেগে রান্না করা হলো। তিনি গোশত্ খেয়ে বায়তুল্লাহর দিকে রওয়ানা হলের এবং মক্কায় গিয়ে জোহর পড়লেন (মুসলিম);-মেশকাত-৫/২৪৪০।
.
✈[ বিদায় হজ্জের ভাষণে রাসূল একমাত্র আল্লাহর কিতাবের অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিশ্বের মুসলিমগণ কুরআনের সাথে হাদিসের অনুসরণ করেন কেন? (.................)‘আল্লাহু আকবার’ শব্দ এবং আল্লাহু আকবার বলে বড় জামরায় সাতটি কাঁকর মারার নির্দেশ আল্লাহর কিতাবে আছে কী?]
*
☆☆COMP.SSIS☆☆
-12.06.2017-
Comments
Post a Comment